গোপালপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ব্যানার টাঙিয়ে পতাকা উত্তোলন
ডেস্ক রিপোর্ট:: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলীয় ব্যানার টাঙিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। সকালে এ সংক্রান্ত দেড় মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, গোপালপুর থানা গেট থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে অবস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী জড়ো হন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজের নেতৃত্বে তারা প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ লেখা একটি ব্যানার টাঙানো হয়। এরপর সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ছোট মনিরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। পরে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। সকালে কে বা কারা ওই ব্যানার খুলে ফেলে। এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রুবেল বলেন, ‘ভোর রাতে মাইক্রোবাসে করে এসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গোপনে এ ঘটনা ঘটিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চলে যান। বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।’ এ প্রসঙ্গে গোপালপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ফজরের নামাজের আগে সেহেরির শেষ মুহূর্তে কয়েকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন দেন। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।
গোপালপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ব্যানার টাঙিয়ে পতাকা উত্তোলন
ডেস্ক রিপোর্ট:: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলীয় ব্যানার টাঙিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। সকালে এ সংক্রান্ত দেড় মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, গোপালপুর থানা গেট থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে অবস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী জড়ো হন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজের নেতৃত্বে তারা প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ লেখা একটি ব্যানার টাঙানো হয়। এরপর সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ছোট মনিরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। পরে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। সকালে কে বা কারা ওই ব্যানার খুলে ফেলে। এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রুবেল বলেন, ‘ভোর রাতে মাইক্রোবাসে করে এসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গোপনে এ ঘটনা ঘটিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চলে যান। বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।’ এ প্রসঙ্গে গোপালপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ফজরের নামাজের আগে সেহেরির শেষ মুহূর্তে কয়েকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন দেন। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।