টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মাদারজানী গ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এক অদম্য নারীর নাম হাফিজা পারভীন সুইটি। যিনি তার মেধা, সততা এবং পাহাড়সম পরিশ্রম দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, ইচ্ছাশক্তি থাকলে মধ্যবিত্ত জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে জয় করে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। আজ তিনি কেবল একজন সফল নারী নন, বরং বাংলাদেশের মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (MLM) এবং করপোরেট সেক্টরে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
শিক্ষকতা ও বিমা পেশায় স্বর্ণালি অধ্যায়
হাফিজা পারভীন সুইটির কর্মজীবনের সূচনা ২০০৭ সালে। বড় ছেলে শাফিন রহমান রাফিকে নবগ্রাম কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ভর্তি করানোর পর, একই বছর তিনি সেখানে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন। তার অনন্য টিচিং পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের প্রতি মমত্ববোধ তাকে দ্রুত প্রধান শিক্ষকের আসনে বসায়। পরবর্তীতে তার অসামান্য কর্মদক্ষতার কারণে তিনি স্কুলটির পরিচালনার দায়িত্ব পান এবং একপর্যায়ে মালিকানা অর্জন করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি ২০০৮ সালে তিনি চ্যালেঞ্জিং ‘জীবন বীমা’ পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। প্রায় এক যুগ ধরে এই দুই পেশায় সমানতালে সফলতা ধরে রাখেন তিনি। বিমা পেশায় তার অসামান্য অবদানের জন্য তিনি টাঙ্গাইল জেলায় ‘প্রথম লেডি লিডার’ খেতাব অর্জন করেন এবং কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা থেকে একাধিকবার শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারে ভূষিত হন।
ভারটেক্স ওয়ার্ল্ড: যেখানে তিনি ‘আধুনিক বেগম রোকেয়া’
২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর হাফিজা পারভীন সুইটি ভারটেক্স ওয়ার্ল্ড লিমিটেডে যোগদান করেন এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে পুরোদমে কাজ শুরু করেন। এমএলএম-এর মতো কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পেশায় তার এই যাত্রা ছিল বিস্ময়কর। অবিশ্বাস্য দ্রুততায় তিনি দেশের প্রথম নারী ‘এক্সিকিউটিভ ব্রাঞ্চ প্রমোটর (বিডি)’ পদটি অর্জন করেন।
তার সততা, ধৈর্য এবং সাহসিকতা দেখে মুগ্ধ হয়ে ভারটেক্স ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তোজাম্মেল হক বকুল তাকে নাম দেন ‘বেগম রোকেয়া’। আজ পুরো
সংবাদটি শেয়ার করুন
আপনার মতামত দিন
পাঠকের মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।